প্লীহা

শূণ্যস্থানের মাধ্যমে প্রাণিজগতের শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে জানি

 ১। বৈচিত্র্যময় প্রাণিকূলে রয়েছে ....................... প্রাণী অ্যামিবা থেকে শুরু করে বিশাল আকারের তিমি। আণুবীক্ষণিক

২। প্রাণীর বিভিন্নতা নির্ভর করে পরিবেশের ........................ উপর। বৈচিত্র্যের

৩। সহজে সুশৃঙ্খলভাবে বিশাল প্রাণিজগৎকে জানার জন্য এর বিন্যস্তকরণ প্রয়োজন, আর বিন্যস্ত করার পদ্ধতিকে .............................. বলে। শ্রেণিবিন্যাস

৪। ............................. প্রাণিজগৎকে জানার পথ সহজ করে দিয়েছে। শ্রেণিবিন্যাস

৫। আমাদের চারপাশে আমরা যে প্রাণীগুলোকে দেখি তার সবগুলো দেখতে এক রকম হয় না। এদের দেহের  ..................... , গঠন ও অন্যান্য  ....................  কাজকর্মের প্রকৃতিও ভিন্ন। এদের কোনোটির  .....................  আছে, আবার কোনোটির ................... নেই। এদের কোনোটি মাটিতে, কোনোটি পানিতে, কোনোটি  .................  বাস করে। এদের  .................  বিভিন্ন প্রকারের হয়। এরা বিভিন্ন  .................  (সিলিয়া, পা, উপাঙ্গ ইত্যাদি) দিয়ে চলাফেরা করে, আবার কোনোটির  ......................... নেই।

উত্তর: আকৃতি, জৈবিক, মেরুদণ্ড, মেরুদণ্ড, গাছে, খাদ্য, অঙ্গ, চলনশক্তি।

৬। আজ পর্যন্ত প্রায় ................. লক্ষ প্রজাতির প্রাণী আবিষ্কৃত হয়েছে। ১৫

৭। জীবজগৎকে ...................... বিন্যস্ত করার পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে। ধাপে ধাপে

৮। জীবজগৎকে সহজে জানার তাগিদে বর্তমানে জীববিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে। এর নাম ................... । শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা

৯। ................. হলো শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে নিচের ধাপ বা একক। প্রজাতি

১০। মানুষ, কুনোব্যাঙ, কবুতর ইত্যাদি এক একটি ..................... । প্রজাতি

১১। কোনো প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস করতে হলে সেই প্রাণীকে ....................... অনুযায়ী ধাপে ধাপে সাজাতে হয়। বৈশিষ্ট্য

১২। শ্রেণিবিন্যাসের ইতিহাসে অ্যারিস্টটল, জন রে ও ........................ নাম উল্লেখযোগ্য। ক্যারোলাস লিনিয়াসের

১৩। ....................... শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়। ক্যারোলাস লিনিয়াসকে

১৪। ক্যারোলাস লিনিয়াস ছিলেন ....................। প্রকৃতিবিজ্ঞানী

১৫। ....................... সর্বপ্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন এবং দ্বিপদ বা দুই অংশ বিশিষ্ট নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন। ক্যারোলাস লিনিয়াস

১৬। একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম ............ অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়। দুই 

১৭। একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়। এই নামকরণকে ......................................... বলে। দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ

১৮। মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম- ....................................... । Homo sapiens

১৯। বৈজ্ঞানিক নাম .................. অথবা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়। ল্যাটিন

২০। আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসে সকল প্রাণী ........................ জগতের (kingdom) অন্তর্ভুক্ত। অ্যানিম্যালিয়া 

২১। আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসে পূর্বের প্রোটোজোয়া পর্বটি প্রোটিস্টা জগতে একটি আলাদা ................... হিসেবে স্থান পেয়েছে। উপজগৎ

২২। অ্যানিম্যালিয়া জগতের প্রাণীদের ................ পর্বে ভাগ করা হয়েছে। নয়টি

২৩। অ্যানিম্যালিয়া জগতের নয়টি পর্বের প্রথম ............. পর্বের প্রাণীরা অমেরুদণ্ডী এবং ..............পর্বের প্রাণীরা মেরুদণ্ডী। আটটি, শেষ

২৪। পরিফেরা পর্বের প্রাণীরা সাধারণভাবে ............... নামে পরিচিত। পৃথিবীর .................. এদের পাওয়া যায়। স্পঞ্জ, সর্বত্রই

২৫। পরিফেরা পর্বের অধিকাংশ প্রজাতি .....................। তবে কিছু কিছু প্রাণী .................... পানিতে বাস করে। এরা সাধারণত ...................... হয়ে বসবাস করে। সামুদ্রিক, স্বাদু, দলবদ্ধ

২৬। পরিফেরা পর্বের প্রাণীরা ...................... বহুকোষী প্রাণী। সরলতম

২৭। ....................... পর্বের প্রাণীদের দেহপ্রাচীর অসংখ্য ছিদ্রযুক্ত। পরিফেরা

২৮। পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহের ছিদ্রপথে পানির সাথে .................... ও ................... প্রবেশ করে। অক্সিজেন, খাদ্যবস্তু

২৯। পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের কোনো পৃথক সুগঠিত ................ , ............... ও .............. থাকে না। কলা, অঙ্গ, তন্ত্র

৩০। পরিফেরা পর্বের উদাহরণ হলো- ....................... , ............................। Spongilla, Scypha

৩১। নিডারিয়া পর্ব ইতোপূর্বে .................................. নামে পরিচিত ছিল। সিলেন্টারেটা

৩২। নিডারিয়া পর্বের অধিকাংশ প্রজাতি .........................। সামুদ্রিক

৩৩। নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের দেহ দুটি ................. কোষস্তর দ্বারা গঠিত। দেহের বাইরের দিকের স্তরটি ............... এবং ভিতরের স্তরটি ..................... । ভ্রƒণীয়, এক্টোডার্ম, এণ্ডোডার্ম

৩৪। নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের দেহ গহ্বরকে ....................... বলে। সিলেন্টেরন 

৩৫। সিলেন্টেরন একাধারে ..................... ও ..................... অংশ নেয়। পরিপাক, সংবহনে

৩৬। নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের এক্টোডার্মে ........................... নামে এক বৈশিষ্ট্যপূর্ণ কোষ থাকে। নিডোব্লাস্ট

৩৭। নিডোব্লাস্ট কোষগুলো শিকার ধরা, ....................... , চলন ইত্যাদি কাজে অংশ নেয়। আত্মরক্ষা

৩৮। Hydra, Obelia  প্রভৃতি ..................... পর্বের প্রাণী। নিডারিয়া

৩৯। প্লাটিহেলমিনথেস পর্বের বহু প্রজাতি ..................... বা .......................... হিসেবে অন্য জীবদেহের বাইরে বা ভিতরে বসবাস করে। বহিঃপরজীবী, অন্তঃপরজীবী

৪০। ............................. পর্বের প্রাণীদের দেহ চ্যাপ্টা, উভলিঙ্গ। প্লাটিহেলমিনথেস

৪১। প্লাটিহেলমিনথেস পর্বের প্রাণীদের দেহ পুরু ..................... দ্বারা আবৃত। কিউটিকল

৪২। দেহে চোষক ও আংটা থাকে ........................... পর্বের প্রাণীদের। প্লাটিহেলমিনথেস

৪৩। প্লাটিহেলমিনথেস পর্বের প্রাণীদের রেচন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে ........................। শিখা অঙ্গ

৪৪। প্লাটিহেলমিনথেস পর্বের প্রাণীদের ............................... অসম্পূর্ণ বা অনুপস্থিত। পৌষ্টিকতন্ত্র

৪৫। যকৃৎ কৃমি, ফিতা কৃমি প্রভৃতি ..................................... পর্বের প্রাণী। প্লাটিহেলমিনথেস

৪৬। নেমাটোডা পর্বকে অনেকে ............................... বলে। নেমাথেলমিনথেস

৪৭। নেমাটোডা পর্বের অনেক প্রাণী অন্তঃপরজীবী হিসেবে প্রাণীর অন্ত্র ও ................... বসবাস করে। রক্তে

৪৮। নেমাটোডা পর্বের প্রাণীদের দেহ ................... ও পুরু ত্বক দ্বারা আবৃত। নলাকার

৪৯। নেমাটোডা পর্বের প্রাণীদের পৌষ্টিকনালি ................, মুখ ও পায়ু ছিদ্র ................... । সম্পূর্ণ, উপস্থিত

৫০। নেমাটোডা পর্বের প্রাণীদের শ্বসনতন্ত্র ও সংবহনতন্ত্র ..........................। অনুপস্থিত

৫১। নেমাটোডা পর্বের প্রাণীরা সাধারণত .................. লিঙ্গ। এক

৫২। নেমাটোডা পর্বের প্রাণীদের দেহ গহ্বর অনাবৃত ও .................. সিলোম নেই। প্রকৃত

৫৩। নেমাটোডা পর্বের প্রাণীর উদাহরণ হলো- ...................... , ফাইলেরিয়া কৃমি প্রভৃতি। গোলকৃমি

৫৪। পৃথিবীর প্রায় সকল নাতিশীতোষ্ণ ও ......................... অঞ্চলে অ্যানেলিডা পর্বের প্রাণীদের পাওয়া যায়। উষ্ণমণ্ডলীয়

৫৫। অ্যানেলিডা পর্বের বহু প্রাণী ......................... মাটিতে বসবাস করে। সেঁতসেঁতে

৫৬। অ্যানেলিড পর্বের কিছু প্রজাতি ........................... ও মাটিতে গর্ত খুঁড়ে বসবাস করে। পাথর

৫৭। অ্যানেলিডা পর্বের প্রাণীদের দেহ নলাকার ও .............................. । খণ্ডায়িত

৫৮। অ্যানেলিডা পর্বের প্রাণীদের রেচন অঙ্গের নাম ..........................। নেফ্রিডিয়া

৫৯। অ্যানেলিডা পর্বের প্রাণীদের দেহের প্রতিটি খণ্ডে ............... থাকে। সিটা

৬০। জোঁকে ................ থাকে না। সিটা

৬১। সিটা ................. সহায়তা করে। চলাচলে

৬২। কেঁচো, জোঁক প্রভৃতি ..................... পর্বের প্রাণী। অ্যানেলিডা

৬৩। .......................... পর্বটি প্রাণিজগতের সবচেয়ে বৃহত্তম পর্ব। আর্থ্রোপোডা

৬৪। আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের দেহ বিভিন্ন ...................  বিভক্ত ও .................... উপাঙ্গ বিদ্যমান। অঞ্চলে, সন্ধিযুক্ত

৬৫। আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের মাথায় একজোড়া ...................... ও অ্যান্টেনা থাকে। পুঞ্জাক্ষি

৬৬। আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের নরম দেহ ..................... সমৃদ্ধ শক্ত আবরণী দ্বারা আবৃত। কাইটিন

৬৭। আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের দেহের রক্তপূর্ণ গহ্বর ..................... নামে পরিচিত। হিমোসিল

৬৮। প্রজাপতি, চিংড়ি, আরশোলা, কাঁকড়া প্রভৃতি ...................... পর্বের প্রাণী। আর্থ্রোপোডা

৬৯। মলাস্কা পর্বের প্রাণীদের দেহ নরম। নরম দেহটি সাধারণত ....................... দ্বারা আবৃত থাকে। শক্ত খোলস

৭০। মলাস্কা পর্বের প্রাণীরা ....................... দিয়ে এরা চলাচল করে। পেশিবহুল পা

৭১। মলাস্কা পর্বের প্রাণীরা ................................... সাহায্যে শ্বসনকার্য চালায়। ফুসফুস বা ফুলকার

৭২। শামুক, ঝিনুক ......................... পর্বের প্রাণী। মলাস্কা

৭৩। একাইনোডারমাটা পর্বের সকল প্রাণী ...................... । সামুদ্রিক

৭৪। ............................. পর্বের প্রাণীদের স্থলে বা মিঠা পানিতে পাওয়া যায় না। একাইনোডারমাটা

৭৫। একাইনোডারমাটা পর্বের প্রাণীদের দেহত্বক ..........................। কাঁটাযুক্ত

৭৬। একাইনোডারমাটা পর্বের প্রাণীদের দেহ ............. সমান ভাগে বিভক্ত। পাঁচটি

৭৭। একাইনোডারমাটা পর্বের প্রাণীদের দেহে .............. সংবহনতন্ত্র থাকে এবং এরা .................... সাহায্যে চলাচল করে। পানি, নালিপদের

৭৮। একাইনোডারমাটা পর্বের পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে, অঙ্কীয় ও পৃষ্ঠদেশ নির্ণয় করা যায় কিন্তু ................ চিহ্নিত করা যায় না। মাথা

৭৯। তারামাছ, সমুদ্র শশা ................................... পর্বের প্রাণী। একাইনোডারমাটা

৮০। কর্ডাটা পর্বের প্রাণীরা পৃথিবীর ................... পরিবেশে বাস করে। সকল

৮১। .......................... কর্ডাটাদের মধ্যে বহু প্রজাতি স্বাদু পানিতে অথবা সমুদ্রে বাস করে। জলচর

৮২। কর্ডাটা পর্বের প্রাণীর সারা জীবন অথবা ভ্রƒণ অবস্থায় পৃষ্ঠীয়দেশ বরাবর ...................... অবস্থান করে। নটোকর্ড

৮৩। নটোকর্ড হলো একটা নরম, নমনীয়, দণ্ডাকার, দৃঢ় ও ....................... অঙ্গ। অখণ্ডায়িত

৮৪। কর্ডাটা পর্বের প্রাণীদের পৃষ্ঠদেশে একক, ফাঁপা .................. থাকে। স্নায়ুরজ্জু

৮৫। কর্ডাটা পর্বের প্রাণীদের সারা জীবন অথবা জীবন চক্রের কোনো এক পর্যায়ে .......................................... ছিদ্র থাকে। পার্শ্বীয় গলবিলীয় ফুলকা

৮৬। মানুষ, কুনোব্যাঙ, রুই মাছ প্রভৃতি ........................ পর্বের উদাহরণ। কর্ডাটা

৮৭। কর্ডাটা পর্বকে ................ উপপর্বে ভাগ করা যায়। তিনটি

৮৮। ইউরোকর্ডাটা উপপর্বের প্রাণীদের ........................... অবস্থায় ফুলকারন্ধ্র, পৃষ্ঠীয় ফাঁপা স্নায়ুরজ্জু থাকে। প্রাথমিক

৮৯। শুধুমাত্র লার্ভা দশায় লেজে নটোকর্ড থাকে ........................ উপপর্বের প্রাণীদের। ইউরোকর্ডাটা

৯০। Ascidia........................ উপপর্বের প্রাণী। ইউরোকর্ডাটা

৯১। .......................... উপপর্বের প্রাণীদের সারাজীবনই দেহে নটোকর্ডের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। সেফালোকর্ডাটা

৯২। সেফালোকর্ডাটা পর্বের প্রাণীদের দেখতে ...................। মাছের মতো

৯৩। ............................. হলো সেফালোকর্ডাটা উপপর্বের প্রাণী। Branchiostoma

৯৪। ........................ উপ-পর্বের প্রাণীরাই মেরুদণ্ডী প্রাণী হিসেবে পরিচিত। ভার্টিব্রাটা

৯৫। গঠন ও বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে মেরুদণ্ডী প্রাণীদের ............... শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ৭টি

৯৬। সাইক্লোস্টোমাটা শ্রেণির প্রাণীদের দেহ লম্বাটে। মুখছিদ্র গোলাকার এবং ......................। চোয়ালবিহীন

৯৭। সাইক্লোস্টোমাটা শ্রেণির প্রাণীদের দেহে আঁইশ বা ............... পাখনা অনুপস্থিত। যুগ্ম

৯৮। সাইক্লোস্টোমাটা শ্রেণির প্রাণীরা .......................... সাহায্যে শ্বাস নেয়। ফুলকাছিদ্রের

৯৯। সাইক্লোস্টোমাটা শ্রেণির একটি উদাহরণ হলো: ...........................। Petromyzon

১০০। কনড্রিকথিস শ্রেণির সকল প্রাণী ...................... বাস করে। সমুদ্রে

১০১। কনড্রিকথিস শ্রেণির প্রাণীদের কঙ্কাল ...............................। তরুণাস্থিময়।

১০২। কনড্রিকথিস শ্রেণির প্রাণীদের দেহ .................... আঁইশ দ্বারা আবৃত। প্ল্যাকয়েড

১০৩। কনড্রিকথিস শ্রেণির প্রাণীদের মাথার দুই পাশে ....................... জোড়া ফুলকাছিদ্র থাকে। ৫-৭

১০৪। কানকো থাকে না ............................... শ্রেণির প্রাণীদের। কনড্রিকথিস

১০৫। হাঙ্গর, করাত মাছ, হাতুড়ি মাছ ................................... শ্রেণির অন্তর্ভূক্ত। কনড্রিকথিস

১০৬। অস্টিকথিস শ্রেণির অধিকাংশই ................. পানির মাছ। স্বাদু

১০৭। অস্টিকথিস শ্রেণির প্রাণীদের দেহ .................... , ........................ বা .....................ধরনের আঁইশ দ্বারা আবৃত। সাইক্লোয়েড, গ্যানয়েড, টিনয়েড

১০৮। ইলিশ মাছের মাথার দুই পাশে .................... জোড়া ফুলকা থাকে। চার

১০৯। অস্টিকথিসদের ফুলকাগুলো ..................... দিয়ে ঢাকা থাকে। কানকো

১১০। অস্টিকথিসরা ফুলকার সাহায্যে ...................... চালায়। শ্বাসকার্য

১১১। ইলিশ মাছ, সি-হর্স .............................. শ্রেণির প্রাণী। অস্টিকথিস

১১২। মেরুদণ্ডী প্রাণীর মধ্যে যারা জীবনের প্রথম অবস্থায় সাধারণত পানিতে এবং মাছের মতো বিশেষ ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়, পরিণত বয়সে ডাঙ্গায় বাস করে তারা ............................ । উভচর

১১৩। উভচরদের দেহত্বক .......................... বিহীন। আঁইশ

১১৪। উভচর প্রাণীদের ত্বক নরম, পাতলা, ভেজা ও ......................। গ্রন্থিযুক্ত

১১৫। উভচর প্রাণীরা ................... রক্তের প্রাণী। শীতল

১১৬। উভচর প্রাণীরা ................. ডিম পাড়ে। পানিতে

১১৭। উভচরদের জীবনচক্রে সাধারণত ................... দশা দেখা যায়। ব্যাঙাচি

১১৮। সোনাব্যাঙ, ..................... প্রভৃতি উভচর শ্রেণির প্রাণী। কুনোব্যাঙ

১১৯। সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণীরা ........... ভর করে চলে। বুকে  

১২০। সরীসৃপদের ত্বক শুষ্ক ও ....................। আঁইশযুক্ত

১২১। সরীসৃপদের চার পায়েই পাঁচটি করে .................... আঙ্গুল আছে। নখরযুক্ত

১২২। টিকটিকি, কুমির, সাপ প্রভৃতি .................. শ্রেণির প্রাণী। সরীসৃপ

১২৩। .................... শ্রেণির প্রাণীদের দেহ পালকে আবৃত। পক্ষীকূল

১২৪। পাখির দুটি ডানা, দুটি পা ও একটি ............... আছে। চঞ্চু

১২৫। ফুসফুসের সাথে ....................... থাকায় পক্ষীকূল সহজে উড়তে পারে। বায়ুথলি

১২৬। পক্ষীকূল .................. রক্তের প্রাণী। উষ্ণ  

১২৭। পাখিদের হাড় শক্ত, .................... ও ফাঁপা। হালকা

১২৮। কাক, দোয়েল, হাঁস প্রভৃতি .................... শ্রেণির উদাহরণ। পক্ষীকূল

১২৯। ................... প্রাণীদের দেহ লোমে আবৃত। স্তন্যপায়ী

১৩০। স্তন্যপায়ী প্রাণীরা ................... প্রসব করে। তবে এর ব্যতিক্রম আছে, যেমন- ................. । সন্তান, প্লাটিপাস

১৩১। স্তন্যপায়ীরা ................. রক্তের প্রাণী। উষ্ণ  

১৩২। স্তন্যপায়ীদের চোয়ালে বিভিন্ন ধরনের .............. থাকে। দাঁত

১৩৩। স্তন্যপায়ী শিশুরা ................ পান করে বড় হয়। মাতৃদুগ্ধ  

১৩৪। স্তন্যপায়ীদের হৃৎপিণ্ড ............. প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। চার

১৩৫।  মানুষ, উট, বাঘ প্রভৃতি .......... শ্রেণির অন্তর্ভূক্ত। স্তন্যপায়ী

১৩৬। কেবলমাত্র ................................. পদ্ধতি অবলম্বন করে লক্ষ লক্ষ প্রাণী সম্পর্কে জানা সম্ভবপর হয়। শ্রেণিবিন্যাসকরণ

১৩৭। একটি প্রাণীকে শনাক্ত করতে হলে প্রধানত .......................... ধাপে এর বৈশিষ্ট্যগুলো মিলিয়ে নিতে হয়। সাতটি

১৩৮। প্রাণী সনাক্তকরণের আবশ্যিক ধাপগুলো হলো জগৎ, পর্ব, ................. , বর্গ, ............... , গণ ও প্রজাতি। শ্রেণি, গোত্র

১৩৯। অনেক সময় পর্বকে .................................. ভাগ করা হয়। উপপর্ব বা সাব ফাইলামে

১৪০। শ্রেণিবিন্যাসের সাহায্যে .................. উপায়ে সহজে, অল্প পরিশ্রমে ও অল্প সময়ে পৃথিবীর সকল উদ্ভিদ এবং প্রাণী সম্বন্ধে জানা যায়। বিজ্ঞানসম্মত

১৪১। নতুন .................... শনাক্ত করতে শ্রেণিবিন্যাস অপরিহার্য। প্রজাতি

১৪২। শ্রেণিবিন্যাসের মাধ্যমে ধীরে ধীরে প্রাণিকূলের মাঝে যে ............. ঘটেছে বা ঘটছে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। পরিবর্তন

১৪৩। শ্রেণিবিন্যাসের মাধ্যমে অসংখ্য প্রাণিকূলকে একটি নির্দিষ্ট রীতিতে বিন্যস্ত করে ..................... করা যায়। গোষ্ঠীভুক্ত

১৪৪। শ্রেণিবিন্যাসের মাধ্যমে প্রাণীর মধ্যে মিল-অমিলের ভিত্তিতে পরস্পরের মধ্যে ................... জানা যায়। সম্বন্ধ

১৪৫। শ্রেণিবিন্যাসের মাধ্যমে প্রাণী সম্পর্কে সামগ্রিক ও ..................... জ্ঞান অর্জন করা যায়। পরিকল্পিত

১৪৬। সব এককোষী প্রাণীকে .................. পর্বে এবং বহুকোষী প্রাণীদের ................ পর্বে ভাগ করা হয়। একটি, নয়টি